বৃহস্পতিবার, ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বৃহস্পতিবার১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠের ১৫ ফজিলত

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ

প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৫ | ১২:০৮ অপরাহ্ণ

মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠের ১৫ ফজিলত

মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ শুধু একটি আমল নয়, এটি আল্লাহর দরবারে বরকতের দ্বার উন্মোচন ও দোয়া কবুলের অনন্য মাধ্যম। হৃদয়ের গভীর থেকে নবীর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ জীবনে শান্তি, করুণা ও মর্যাদা বয়ে আনে। মুমিনের জীবনে দরুদ পাঠের এই মহিমান্বিত আমল অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়া উচিত। নিচে দরুদ পাঠের ১৫টি ফজিলত বর্ণনা করা হলো—

১. আল্লাহ তাআলা রাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আল্লাহ বলেন : ‘নিশ্চয়ই, আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ (সালাত আলান্নাবী) পাঠ করে থাকেন। হে ঈমানদাররা! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠাও এবং তাঁকে সালাম জানাও।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ৫৬)

২. দরুদ পাঠ বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং তার পাপ মোচন করে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করেন, তার ১০টি গুনাহ ক্ষমা করে দেন এবং তার মর্যাদা ১০ গুণ বৃদ্ধি করেন।’ (নাসাঈ, হাদিস : ১২৯৭)

৩. নবীর ওপর দরুদ পাঠ এমন একটি আমল, যা বান্দার যেকোনো দুশ্চিন্তা দূর করে এবং তার প্রয়োজন পূরণের মাধ্যম হয়। উবাই ইবনে কাব (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বেশি বেশি দরুদ পাঠের ফজিলত সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেন, ‘তাহলে তোমার দুশ্চিন্তা দূর করা হবে এবং তোমার পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৫৭)

৪. নবী (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা তাঁর উম্মতের ওপর অর্পিত গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্যগুলোর অন্যতম। আমরা তাঁর মাধ্যমে যে অগণিত কল্যাণ পেয়েছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। তাই তাঁর প্রশংসা করা ও তাঁর জন্য দোয়া করা্ল এমন কর্তব্য, যা আমাদের নিয়মিত পালন করা উচিত।

৫. দরুদ পাঠ নবীজির শাফাআত (সুপারিশ) লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ১০ বার করে রাসুল (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করবে, ওই ব্যক্তি নবীজির শাফাআতের অধিকারী হবে।’ (তাবারানি : ২/২৬১)

অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করে এভাবে দোয়া করবে—‘হে আল্লাহ! কিয়ামতের দিন তাঁকে তোমার সান্নিধ্য দান করো, তাহলে তার জন্য আমার শাফাআত ওয়াজিব হয়ে যাবে।’ (আত-তারগিব, হাদিস : ১০৩৮)

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Default Advertisement

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031 

সম্পাদক (ডেমো)

এস এ ফারুক

যোগাযোগ

89/A (3rd floor), Anarkoli Super Market (behind the Mouchak market), 77/1 Shiddheswari Ln, Dhaka 1217

মোবাইল: 01915344418

ই-মেইল: faroque.computer@gmail.com

Design and Development by : webnewsdesign.com